মৎস্য বাংলাদেশ

মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করি, সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ি।

মাছের খাদ্য প্রয়োগের সূত্র


মাছের মোট ওজন (কেজি): কেজি

প্রতিদিনের খাদ্যের পরিমাণ (কেজি): কেজি

মাসিক খাদ্যের পরিমাণ (কেজি): কেজি

মাছের খাদ্য প্রয়োগ – ব্যবহার ও সতর্কতা
বিষয় ব্যবহার নির্দেশনা সতর্কতা
দৈনিক খাবারের পরিমাণ প্রতিদিন ক্যালকুলেটরে হিসাব করা পরিমাণ খাবার পুকুরে দিতে হবে। একবারে সব খাবার না দিয়ে দিনে ২–৩ ভাগে ভাগ করে দিন।
মাসিক খাবারের পরিমাণ প্রতিদিনের পরিমাণ × ৩০ দিন = মাসিক খাবারের হিসাব। মাসিক হিসাবে শুধু অনুমান পাওয়া যায়, প্রতিদিনের ওজন অনুযায়ী পরিবর্তন হবে।
খাদ্যের ধরন মাছের বয়স ও আকার অনুযায়ী ভাসমান বা ডুবন্ত ফিড ব্যবহার করুন। নিম্নমানের বা মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ব্যবহার করবেন না।
খাদ্য প্রয়োগ সময় সকালে ও বিকালে খাবার দেয়া উত্তম। রাতে খাবার না দেওয়া ভালো।
পানির অবস্থা পানির রঙ সবুজ-হালকা হলে স্বাভাবিক, অতিরিক্ত সবুজ বা কালো হলে খাবার কমাতে হবে। অক্সিজেন কম থাকলে খাবার দিলে মাছ মরতে পারে।
মাছের আচরণ মাছ সক্রিয় থাকলে খাবার স্বাভাবিক দিন। মাছ অসুস্থ/অলস হলে খাবার বন্ধ রাখুন।
ওজন পরীক্ষা মাসে অন্তত একবার ১০–২০টা মাছ ধরে ওজন মাপুন। পুরনো ওজন ধরে খাবার দিলে খাবার অপচয় বা ঘাটতি হবে।
তেলাপিয়া মাছের বাণিজ্যিক চাষ, পাঙ্গাস মাছের বাণিজ্যিক চাষ, কৈ,শিং ও মাগুর মাছের বাণিজ্যিক চাষ, আবদ্ধ পদ্ধতিতে চিংড়ি বানিজ্যিক চাষ